Practice Questions

Total Questions: 203

21.
একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থটি কার রচনা? [BSMRSTU-E: 18-19]
১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম স্মারক গ্রন্থ 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা ও সংকলন করেছিলেন কবি হাসান হাফিজুর রহমান। তাই এটি সঠিক উত্তর। সিকানদার আবু জাফর 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, আলাউদ্দিন আল আজাদ 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতা লিখেছেন এবং শওকত আলী 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাস লিখেছেন। তাঁরা কেউই এই ঐতিহাসিক সংকলন গ্রন্থটি রচনা বা সম্পাদনা করেননি। তাই ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে বাকি তিনটি বিকল্প যৌক্তিকভাবে ভুল।
22.
একুশে' বিষয়ক প্রথম কবিতার রচয়িতা কে? [MBSTU-D: 18-19]
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত ঘটনার পরপরই চট্টগ্রামের কবি মাহবুব-উল আলম চৌধুরী 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' নামক একুশ বিষয়ক প্রথম কবিতাটি রচনা করেন। তাই এটি সঠিক। আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ 'কোনো এক মাকে' লিখেছেন, সৈয়দ শামসুল হক ভিন্ন ধারার লেখক এবং হাসান হাফিজুর রহমান একুশের প্রথম সংকলনের সম্পাদক হলেও প্রথম কবিতার রচয়িতা নন। তাই ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে বাকি তিনটি অপশন সম্পূর্ণ ভুল।
23.
একুশের প্রথম কবিতা কে লিখেছেন?
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত ঘটনার প্রতিবাদে চট্টগ্রামের তৎকালীন তরুণ কবি মাহবুব-উল আলম চৌধুরী 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' শীর্ষক একুশের প্রথম কবিতাটি রচনা করেন। তাই এটি ঐতিহাসিক তথ্যে সঠিক উত্তর। আবদুল গাফফার চৌধুরী একুশের বিখ্যাত গান (আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো) লিখেছেন, কবিতা নয়। সিকান্দার আবু জাফর বা শামসুর রাহমান ভাষা আন্দোলন নিয়ে স্মরণীয় সাহিত্য রচনা করলেও তাঁরা প্রথম কবিতাটির রচয়িতা নন। তাই ঐতিহাসিকভাবে প্রথম হওয়ার শর্তে বাকি তিনটি অপশন ভুল।
24.
এর মধ্যে কোন প্রকার গান কেবল বর্ষাকালে পরিবেশিত হয়? [SUST-A: 18-19]
আবহমান বাংলার লোকসংগীতের ঐতিহ্য অনুযায়ী 'ঘাঁটু গান' মূলত বর্ষাকালে নৌকার মধ্যে পরিবেশিত হয়ে থাকে, যেখানে ছেলেরা মেয়েদের পোশাকে নেচে-গেয়ে এই গান পরিবেশন করে। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, গাজির গান, সারি গান এবং যাত্রা গান বছরের নির্দিষ্ট কোনো একটি ঋতুতে বা কেবল বর্ষাকালে সীমাবদ্ধ নয়; এগুলো বিভিন্ন উৎসব বা উপলক্ষে গাওয়া হয়। তাই ঋতুকেন্দ্রিক পরিবেশনার শর্তটি পূরণ না করায় বাকি তিনটি অপশন যৌক্তিকভাবেই ভুল প্রমাণিত হয়।
25.
কতরূপ স্নেহ করি/দেশের কুকুর ধরি/বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া।' চরণটি কোন কবির?
যুগের সন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর গভীর স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধ প্রকাশ করতে গিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ও তীব্র ভাষায় এই বিখ্যাত চরণগুলো রচনা করেছিলেন, যার অর্থ হলো বিদেশের দেবতার চেয়ে নিজের দেশের কুকুরও অধিক আপন ও আদরের। তাই এটি সঠিক উত্তর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিহারীলাল চক্রবর্তী বা কাজী নজরুল ইসলাম—তাঁরা প্রত্যেকেই দেশপ্রেমের কবিতা লিখলেও ঈশ্বরগুপ্তের মতো এমন প্রাত্যহিক, রূঢ় ও সোজাসাপটা ব্যঙ্গাত্মক ভাষার প্রয়োগ তাঁদের কবিতায় দেখা যায় না। তাই সাহিত্যিক শৈলীর ভিন্নতার কারণে বাকি অপশনগুলো ভুল।
26.
কবর' কবিতাটি কোন ধরনের রচনা?
পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের 'কবর' কবিতাটিতে একজন বৃদ্ধ দাদুর স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ এবং নাতনিকে হারানোর অসীম বেদনা ও তাদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণের করুণ দৃশ্য বর্ণিত হয়েছে, তাই এটি একটি সার্থক 'শোককবিতা' (Elegy)। এটি মাত্র ১৪ লাইনের চতুর্দশপদী (সনেট) কবিতা নয়। এটি রাখালদের জীবন নিয়ে রচিত কোনো চারণগীতি বা রাখালী কবিতা নয় এবং এতে কোনো রূপক বা সাংকেতিক অর্থ (Allegory) লুকিয়ে নেই। তাই কবিতার মূল ভাব ও প্রকরণগত বিচারে বাকি তিনটি অপশন সম্পূর্ণ ভুল।
27.
কবর' কবিতাটির আঙ্গিক সম্পর্কে কোনটি প্রযোজ্য?
পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন রচিত 'কবর' কবিতাটিতে সর্বমোট ১১৮টি পঙ্ক্তি রয়েছে এবং এখানে দাদুর জীবনের দীর্ঘ শোকগাথা ও পাঁচটি মৃত্যুর কাহিনি বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে, তাই আঙ্গিকগত দিক থেকে এটি একটি আখ্যানমূলক 'দীর্ঘ কবিতা'। এটি ছোট বাচ্চাদের জন্য রচিত কোনো 'ছড়া' নয়, মাত্র চৌদ্দ লাইনের 'সনেট' বা চতুর্দশপদী কবিতাও নয় এবং বিষয়বস্তুর বিশালতার কারণে এটি কোনোভাবেই ক্ষুদ্রাকার কবিতা নয়। তাই কবিতার দৈর্ঘ্য ও গঠনকাঠামোর বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করলে বাকি তিনটি অপশন সম্পূর্ণ ভুল।
28.
কবর' কবিতায় দাদুর শ্বশুরবাড়ি কোন গাঁয়ে?
পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতায় দাদু যখন তাঁর স্ত্রীর অতীত স্মৃতিচারণ করছিলেন, তখন তিনি উল্লেখ করেন যে তাঁর স্ত্রীর বা দাদুর শ্বশুরবাড়ি ছিল 'উজানতলী' গাঁয়ে ("উজানতলীর গাঁয়ের বধূ...")। তাই এটি সঠিক উত্তর। কবিতায় কদমতলী, বাদামতলী বা পলাশতলী নামের কোনো গ্রামের উল্লেখ বা অস্তিত্ব নেই। সাহিত্যিক টেক্সট বা মূল পাঠ্য থেকে সরাসরি নেওয়া এই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক নামের কারণে, মনগড়া বা কাল্পনিক নামবিশিষ্ট বাকি তিনটি অপশন তথ্যগত দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল হিসেবে বাতিলযোগ্য।
29.
কবর' নাটকটি কার রচনা? [JUST-E: 18-19]
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত সাড়া জাগানো ও বিখ্যাত একাঙ্কিকা নাটক 'কবর' রচনা করেছেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, শহীদুল্লা কায়সার 'সংশপ্তক' উপন্যাসের জন্য খ্যাত, জহির রায়হান 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্র ও উপন্যাসের জন্য খ্যাত এবং সত্যেন সেন ছিলেন একজন ঔপন্যাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁরা কেউই কবর নাটকটি রচনা করেননি। তাই রচয়িতার তথ্যের ভিত্তিতে বাকি তিনটি অপশন সম্পূর্ণ ভুল।
30.
কবর' নাটকটি লেখক কোথায় বসে লিখেছিলেন? [NSTU-D: 15-16]
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত নাটক 'কবর'-এর রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। তিনি ভাষা আন্দোলনে যুক্ত থাকার কারণে কারাবন্দী অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বা জেলখানায় বসে এই নাটকটি রচনা করেছিলেন। তাই এটি ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক উত্তর। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে বা বিদেশ ভ্রমণের সময় এই নাটকটি লেখেননি, এটি সম্পূর্ণ তথ্যবিরুদ্ধ। যেহেতু তাঁর কারাবাসের প্রমাণ সাহিত্যিক ইতিহাসে সুপ্রতিষ্ঠিত, তাই অপর অপশনগুলো যৌক্তিক বিশ্লেষণে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং তথ্যগতভাবে ভুল বলে প্রমাণিত।
31.
কবর' নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন কোথায় হয়? [JKKNIU-AP: 18-19]
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটকটি ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে কারাবন্দীদের দ্বারাই সর্বপ্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল। তাই 'জেলখানা' হলো সঠিক উত্তর। এটি বেইলী রোড, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে প্রথম মঞ্চায়িত হয়নি, কারণ নাটকটির রচয়িতা এবং কলাকুশলী সবাই তখন রাজবন্দী হিসেবে কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। ঐতিহাসিক মঞ্চায়নের স্থান বিবেচনায় তাই বাকি তিনটি অপশন বাস্তবিকভাবেই সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়।
32.
কবি আহসান হাবীব কত সালে 'দৈনিক বাংলা' পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদে যোগ দেন? [BSMRSTU-D: 17-18]
বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি আহসান হাবীব ১৯৬৪ সালে তৎকালীন অন্যতম প্রধান সংবাদপত্র 'দৈনিক বাংলা' (তৎকালীন দৈনিক পাকিস্তান) পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন এই পদে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তাই ঐতিহাসিক সাল হিসেবে ১৯৬৪ সঠিক। তাঁর কর্মজীবনের এই সুনির্দিষ্ট যোগদানের সাল ১৯৬১, ১৯৬২ বা ১৯৬৩ নয়। যেহেতু সাল একটি অপরিবর্তনীয় ধ্রুব তথ্য, তাই ১৯৬৪ ব্যতীত অন্য যেকোনো সাল অপশন হিসেবে ভুল।
33.
কলিমদ্দি দফাদার' গল্পে চিত্রিত হয়েছে- [BSFMSTU-C: 19-20]
আবু জাফর শামসুদ্দীন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প 'কলিমদ্দি দফাদার'-এ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নিরীহ বাঙালির ওপর 'পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অত্যাচার' ও বর্বরতার চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে চিত্রিত হয়েছে। তাই এটি সঠিক। গল্পটির মূল ফোকাস সরাসরি হানাদার পাকিস্তানি সেনাদের নির্মমতা ও হত্যাযজ্ঞের ওপর। রাজাকার, আলবদর বা আল শামস বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হলেও গল্পটিতে মূল ঘাতক হিসেবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চিত্রই প্রধান। তাই বিষয়বস্তু বিশ্লেষণে বাকি তিনটি অপশন যৌক্তিকভাবে ভুল।
34.
কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে? [BSMRSTU-D: 19-20]
বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতাবাদী ধারার সূচনা করা বিখ্যাত 'কল্লোল' (১৯২৩) পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। তাই সাহিত্যিক ইতিহাসের ভিত্তিতে এটি সঠিক উত্তর। বুদ্ধদেব বসু বা প্রেমেন্দ্র মিত্র কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান লেখক ও কবি ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁরা পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন না। রজনীকান্ত দাস নামের কেউ এই পত্রিকার সম্পাদনার সাথে যুক্ত নন। সম্পাদকের নির্দিষ্ট পরিচিতির কারণে বাকি তিনটি বিকল্প যৌক্তিকভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
35.
কাঁটাতারে প্রজাপতি' কে লিখেছেন-
সঠিক উত্তর হলো 'সেলিনা হোসেন'। 'কাঁটাতারে প্রজাপতি' হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস। তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলামিত্রের সংগ্রামী জীবন ও আত্মত্যাগের কাহিনি এই উপন্যাসে অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে চিত্রিত হয়েছে। তাই যৌক্তিকভাবে অপশন ২ সঠিক। অন্যদিকে, অপশন ১ (নাসরীন জাহান) হলেন 'উড়ুক্কু' উপন্যাসের স্বনামধন্য লেখিকা। অপশন ৩ (নূরজাহান বেগম) ছিলেন উপমহাদেশের বিখ্যাত 'বেগম' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। অপশন ৪ (পূরবী বসু) একজন গবেষক ও নারীবাদী লেখক। গ্রন্থকার সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অন্য বিকল্পগুলো নিশ্চিতভাবে ভুল।
36.
কাকে 'কবিকঙ্কণ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাখা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রচয়িতা মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে বর্ধমানের রাজা রঘুনাথ রায় তাঁর কাব্য প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে 'কবিকঙ্কণ' উপাধিতে ভূষিত করেন। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, চণ্ডীদাস এবং জ্ঞানদাস উভয়েই বৈষ্ণব পদাবলির অত্যন্ত বিখ্যাত পদকর্তা হলেও তাঁদের এমন কোনো রাজকীয় উপাধি ছিল না। রূপরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গল কাব্যের একজন আদি কবি, তিনিও এই উপাধি পাননি। যেহেতু উপাধিটি ঐতিহাসিকভাবে মুকুন্দরামের একক অর্জন, তাই বাকি তিনটি বিকল্প সম্পূর্ণভাবে ভুল।
37.
কাচাঁ ধানের পাতার মতো কচি মুখের মায়া'। কবি কার প্রসঙ্গে বলেছেন?
পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের 'নকশী কাঁথার মাঠ' কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্র রুপাইয়ের দৈহিক সৌন্দর্য ও সরলতার বর্ণনা দিতে গিয়ে কবি বলেছেন 'কাঁচা ধানের পাতার মতো কচি মুখের মায়া'। তাই রুপাই হলো সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, সাজু হলো এই কাব্যের প্রধান নারী চরিত্র, মুলি এই কাব্যের মূল চরিত্র নয় এবং সোজন হলো 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যের নায়ক। যেহেতু রুপাইয়ের নির্দিষ্ট রূপ বর্ণনায় এই উক্তিটি ব্যবহৃত হয়েছে, তাই চরিত্র বর্ণনার দিক থেকে বাকি তিনটি অপশন প্রাসঙ্গিকভাবেই সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়।
38.
কাজী নজরুল ইসলাম কোন থিয়েটারের সাথে জড়িত ছিলেন? [JKKNIU-AP: 18-19]
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কর্মজীবনের এক পর্যায়ে সিনেমা ও থিয়েটারের সাথে গভীরভাবে যুক্ত হয়েছিলেন এবং তিনি 'ছায়াবাণী থিয়েটার'-এর সাথেও কাজ করেছেন। তাই এটি সঠিক উত্তর। তিনি চলচ্চিত্রের জন্য গান রচনা ও সুরারোপ করেছিলেন। মনমোহন থিয়েটার, খদুমনি অপেরা বা জগমোহন থিয়েটারের মতো কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে তাঁর কাজ করার কোনো নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায় না। তাই ইতিহাস অনুযায়ী বাকি তিনটি অপশন ভুল।
39.
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি? [BRUR-A: 19-20]
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর জীবদ্দশায় 'নবযুগ' এবং 'লাঙল' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই এই যুগলটি সঠিক। অন্যদিকে, 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ, তাই প্রথম অপশনটি ভুল। 'অগ্নিশিখা' কোনো পত্রিকার নাম হিসেবে নজরুলের সম্পাদনায় পরিচিত নয়। 'সওগাত' সম্পাদনা করেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন এবং 'ভারতী' স্বর্ণকুমারী দেবী। নজরুল কেবল নবযুগ ও লাঙল সম্পাদনা করায় বাকি অপশনগুলো যৌক্তিকভাবেই বাতিলযোগ্য এবং সম্পূর্ণ ভুল।
40.
কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য কোনটি?
সঠিক উত্তর হলো 'মহাশ্মশান'। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হলো কবি কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান'। ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধকে উপজীব্য করে এই বিশাল মহাকাব্যটি রচিত হয়েছে। তাই অপশন ৪ সঠিক। অন্যদিকে, অপশন ১ (মহাভারত) হলো প্রাচীন সংস্কৃত ভাষায় রচিত বেদব্যাস প্রণীত হিন্দু মহাকাব্য। অপশন ২ (ইলিয়াড) হলো হোমার রচিত প্রাচীন গ্রিক মহাকাব্য। অপশন ৩ (সোনার তরী) হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য সংকলন, এটি কোনো মহাকাব্য নয়। সাহিত্যকর্মের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বাকি বিকল্পগুলো নিশ্চিতভাবেই ভুল।