Note Categories
Subjects & Chapters
বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ (প্রাচীন, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ)
পর্যায়ক্রমিক আলোচ্য সূচি
৬. বিগত সালের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ (৫০টি)
০১. 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসের লেখক-
ব্যাখ্যা: 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' শওকত আলী রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
০২. 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' -
ব্যাখ্যা: 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটির রচয়িতা আলাউদ্দিন আল আজাদ।
০৩. উপন্যাসে উপস্থাপিত কাহিনিকে কী বলা হয়?
ব্যাখ্যা: আখ্যানভাগ হলো উপন্যাসের মূল কাহিনি বা গল্পের কাঠামো-যেখানে চরিত্র, ঘটনা, স্থান ও সময়ের ধারাবাহিক বিন্যাসে কাহিনি গড়ে ওঠে। এটি উপন্যাসের প্রাণভিত্তি।
০৪. বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্র কোনটি?
০৫. ভারতবর্ষে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
০৬. প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র' প্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
০৭. 'ইডিপাস' কার রচিত ট্র্যাজেডি নাটক?
০৮. 'হুমায়ুননামা' কে লিখেছেন?
ব্যাখ্যা: গুলবদন বেগম ছিলেন মুঘল সম্রাট বাবরের কন্যা এবং সম্রাট হুমায়ুনের বোন। তিনি ফারসি ভাষায় 'হুমায়ুননামা' নামক জীবনীগ্রন্থটি লেখেন।
০৯. 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষায় রচিত এ বিষয়টি প্রথম কে প্রমাণ করেন?
১০. বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ চর্যাপদ রচিত হয় কোন আমলে-
১১. চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা?
১২. 'নিষেধের বিড়ম্বনা' কার লেখা?
ব্যাখ্যা: 'নিষেধের বিড়ম্বনা' একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ।
১৩. 'বখতিয়ারের ঘোড়া' - এর রচয়িতা কে?
১৪. 'বাঙালির ইতিহাস' বইটি লিখেছেন?
১৫. গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে গাড়ি চলে না...... গানের রচয়িতা কে-
১৬. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' -এ গানের গীতিকার কে?
১৭. "ধন ধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা" গানটির রচয়িতা কে?
১৮. 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' এর গীতিকার কে?
১৯. মুনীর চৌধুরীর 'মুখরা রমণী বশীকরণ' কার লেখার অনুবাদ-
২০. ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন?
২১. মরমী কবি বলা হয় কাকে?
২২. 'মোমেনের জবানবন্দী'র রচয়িতা মাহবুব-উল আলম চট্টগ্রামের কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
২৩. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বংশ পদবি কী ছিল?
২৪. মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ কোনটি?
২৫. 'শিখা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করেছেন?
২৬. 'সংস্কৃতি কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
২৭. প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম কোনটি?
২৮. আবেগের 'উৎকট প্রাধান্য' থাকে কোন ধরনের নাটকে?
ব্যাখ্যা: আবেগের 'উৎকট প্রাধান্য' মানে হলো অতিরঞ্জিত ও চরম আবেগের প্রকাশ। মেলোড্রামার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো দর্শকের আবেগে আঘাত করা।
২৯. জহির রায়হানের জন্ম কোন জেলায়?
৩০. বাংলা সাহিত্যে 'ডাক ও খনার বচন' কোন যুগের সাহিত্যিক নিদর্শন?
৩১. নিচের কোন চিরায়ত সাহিত্যের অনুবাদ যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত এর নয়?
৩২. 'লায়লী-মজনু' প্রণয়োপাখ্যান সম্পাদনা করেন কে?
ব্যাখ্যা: 'লায়লী-মজনু' প্রণয়োপাখ্যান রচনা করেন দৌলত উজির বাহরাম খাঁন, এই গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন আহমদ শরীফ; বাংলা একাডেমি থেকে ১৯৫৭ সালে তা প্রকাশিত হয়।
৩৩. 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি কার?
৩৪. 'রিক্তের বেদন' কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
ব্যাখ্যা: 'রিক্তের বেদন' কাজী নজরুল ইসলামের একটি গল্পগ্রন্থ। এতে মোট ৮টি ছোট গল্প রয়েছে।
৩৫. 'সুখ-দুঃখ-বেদনা উপলব্ধির ফলে অন্তরের যে পরিপক্বতা, তাই তো-----।' শূন্যস্থানে নিচের কোনটি হবে?
ব্যাখ্যা: এ বাক্যটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।
৩৬. 'খোয়াবনামা' কী ধরনের গ্রন্থ?
৩৭. 'ইকারুশের আকাশ' এর 'ইকারুশ' কোন মিথ থেকে গৃহীত?
ব্যাখ্যা: 'ইকারুশ' নামটি গ্রিক পুরাণের ইকারাস চরিত্র থেকে গৃহীত যিনি ড্যাডালাসের ছেলেরূপে পরিচিত। 'ইকারুসের আকাশ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা শামসুর রাহমান।
৩৮. 'রদাঁ' কে ছিলেন?
ব্যাখ্যা: অগুস্ত রদাঁ (Auguste Rodin), যিনি ছিলেন একজন ফরাসি ভাস্কর।
৩৯. বাংলায় অনূদিত হয়েছে এমন প্রাচীনতম আইন কোন দেশে প্রচলিত ছিল?
৪০. 'গাজীর গান' এর গাজী কে?
ব্যাখ্যা: গাজীর গান হচ্ছে লোকজ গাজী পীরের বন্দনাগীতি। মাঝখানের বড় ছবিটি পীর গাজীর; যেখানে গাজী বসে আছে বাঘের ওপর।
৪১. 'কত নদী সরোবর' গ্রন্থের লেখক কে?
ব্যাখ্যা: হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রবন্ধ 'কতো নদী সরোবর' (১৯৮৭)।
৪২. 'সুবচন নির্বাসনে' কোন ধরনের গ্রন্থ?
ব্যাখ্যা: 'সুবচন নির্বাসনে' আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত দ্বিতীয় প্রকাশিত নাটক।
৪৩. 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলনটি কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি; সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান।
৪৪. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি?
ব্যাখ্যা: মমতাজউদদীন আহমদ রচিত নাটক 'কী চাহ হে শঙ্খচিল'।
৪৫. মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা কাব্য কোনটি?
ব্যাখ্যা: মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২)।
৪৬. শহিদ মুনীর চৌধুরীর মানুষ নাটকের উপজীব্য বিষয় কী?
ব্যাখ্যা: 'মানুষ' নাটকের উপজীব্য বিষয় 'সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপট'।
৪৭. নিচের কোনটি গল্প ও উপন্যাস?
ব্যাখ্যা: মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলামের একটি উপন্যাস।
৪৮. শিক্ষা ও সাহিত্য পরস্পর-
৪৯. নিচের কোনটি চম্পুকাব্যের নিদর্শন?
ব্যাখ্যা: রামাই পণ্ডিত রচিত ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ শূন্যপুরাণ গদ্য ও পদ্যের মিশ্রণে রচিত একটি চম্পুকাব্য।
৫০. নিচের কোন সাহিত্য ধারাটি ব্যতিক্রম?
ব্যাখ্যা: লোক সাহিত্য হলো লোক মুখে প্রচলিত গাঁথা কাহিনি, গান বা ছড়া। অন্যদিকে বৈষ্ণব, নাথ এবং শাক্ত পদ সাহিত্যগুলো মধ্যযুগের লিখিত ধর্মভিত্তিক সাহিত্যকর্ম।
৭. চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য ৫০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এককথার তথ্য (One-Liner Data)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা যায়: প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ।
প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত সাহিত্যিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়।
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে তাঁর 'ODBL' গ্রন্থে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।
চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যা ভাষা' বা আলো-আঁধারি ভাষা বলা হয়।
চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কাহ্নপা (১৩টি পদ)।
লুইপা হলেন বাংলা সাহিত্যের আদি কবি।
চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন মুনিদত্ত (তিনি ১১ নং পদের ব্যাখ্যা করেননি)।
ভুসুকুপা তাঁর রচিত ৪৯ নং পদে নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন এবং এতে পদ্মা নদীর উল্লেখ রয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের 'অন্ধকার যুগ' বা 'যুগসন্ধিক্ষণ' ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে।
অন্ধকার যুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো 'শূন্যপুরাণ' (রামাই পণ্ডিত) এবং 'সেক শুভোদয়া' (হলায়ুধ মিশ্র)।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন এবং খাঁটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ হলো 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য।
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি রচনা করেন বডু চণ্ডীদাস এবং আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে।
মধ্যযুগের সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো দেব-দেবীর আরাধনা ও ধর্মনির্ভরতা।
মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানাহরি দত্ত এবং শ্রেষ্ঠ কবি বিজয়গুপ্ত।
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত এবং শ্রেষ্ঠ কবি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদি কবি ময়ূর ভট্ট এবং শ্রেষ্ঠ কবি ঘনরাম চক্রবর্তী।
অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, যিনি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি হিসেবে সমাদৃত।
বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা বিদ্যাপতি, যিনি 'ব্রজবুলি' ভাষায় পদ রচনা করেন।
'ব্রজবুলি' হলো মৈথিলি এবং বাংলা ভাষার এক অপূর্ব কৃত্রিম সংমিশ্রণ।
বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা হলেন চণ্ডীদাস।
বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ সাহিত্যের সূচনা হয় কৃত্তিবাস ওঝার 'রামায়ণ' অনুবাদের মধ্য দিয়ে।
মহাভারতের প্রথম অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর এবং শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কাশীরাম দাস।
ভাগবতের প্রথম অনুবাদক মালাধর বসু এবং তাঁর উপাধি ছিল 'গুণরাজ খান'।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, যিনি 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেন।
আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি দৌলত কাজী, যাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী'।
আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি মহাকবি আলাওল, যিনি 'পদ্মাবতী' রচনা করেন।
চন্দ্রকুমার দের সংগ্রহে এবং ড. দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় 'ময়মনসিংহ গীতিকা' প্রকাশিত হয়।
আধুনিক যুগের সূচনা হয় ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মাধ্যমে গদ্য রচনার মধ্য দিয়ে।
রামরাম বসুর 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' হলো বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত বাংলা গদ্যগ্রন্থ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় এবং তিনি বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক।
'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, যা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেটের প্রবর্তন করেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী'।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
কাজী নজরুল ইসলাম 'বিদ্রোহী' কবিতার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন।
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
মুনীর চৌধুরী বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে 'কবর' নাটক রচনা করেন।
জহির রায়হান পরিচালিত 'স্টপ জেনোসাইড' হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরা একটি প্রামাণ্যচিত্র।
সেলিনা হোসেন রচিত 'হাঙর নদী গ্রেনেড' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অনবদ্য উপন্যাস।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর 'খোয়াবনামা' এবং 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসে জাদুকরী বাস্তবতার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের 'সুলতানার স্বপ্ন' বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম প্রথম নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম জীবনী সাহিত্য রচিত হয় শ্রীচৈতন্য দেবকে কেন্দ্র করে (যেমন: বৃন্দাবন দাসের 'চৈতন্যভাগবত')।
মধ্যযুগের সবচেয়ে প্রতিবাদী পুরুষ চরিত্র হলো মনসামঙ্গলের 'চাঁদ সওদাগর'।
মধ্যযুগের সবচেয়ে প্রতিবাদী নারী চরিত্র হলো চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের 'ফুল্লরা'।
'নীলদর্পণ' নাটকটি রচনা করেন দীনবন্ধু মিত্র, যা নীলকরদের অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরে।
'নীলদর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত (A Native ছদ্মনামে)।
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রসার ঘটে।
শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হতে বিদায়' ১৯৭১ সালের রাজনৈতিক বিভীষিকা ও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।