Limited Access!
Sign in and purchase a course to unlock full access to all MCQs.
MCQ Categories
Subjects & Chapters
Subjects
Chapters
ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন
ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসন কোম্পানি আমল
ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসন: ব্রিটিশ আমল
পাকিস্তানি আমলে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও এর গতিপ্রকৃতি..
পূর্ববাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন,
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) কার্যক্রম
মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি ও বহির্বিশ্ব
শিল্পবিপ্লব
ফরাসি বিপ্লব.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লিগ অব নেশনস
বলশেভিক বিপ্লব
হিটলার ও মুসোলিনির উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
জাতিসংঘ ও বিশ্বশান্তি.
স্নায়ুযুদ্ধ: পুঁজিবাদ ও সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের দ্বন্দ্ব.
স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব
বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন….
Practice Questions
Total Questions: 53
41.
বাংলার চুঁচুড়া ও বাকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে কারা?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
সঠিক উত্তর: ওলন্দাজরা। নেদারল্যান্ডস বা হল্যান্ডের অধিবাসী ওলন্দাজরা বাংলায় বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এসে ১৬৫৩ সালে হুগলির চুঁচুড়া এবং পরবর্তীতে বাঁকুড়াসহ অন্যান্য স্থানে তাদের সুদৃঢ় বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করেছিল। বাংলা থেকে তারা মূলত রেশম ও মসলা রপ্তানি করত। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ পর্তুগিজদের প্রধান কুঠি ছিল হুগলিতে। ইংরেজরা কলকাতা ও কাশিমবাজারে কুঠি স্থাপন করেছিল। ফরাসিদের প্রধান এবং সবচেয়ে বিখ্যাত বাণিজ্য কেন্দ্রটি ছিল চন্দননগরে, চুঁচুড়া বা বাঁকুড়ায় নয়।
42.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা কত খ্রিষ্টাব্দে মসনদে বসেন?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
সঠিক উত্তর: ১৭৫৬। নবাব আলীবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৬ সালের এপ্রিল মাসে মাত্র ২২ বছর বয়সে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব হিসেবে সিংহাসনে বা মসনদে আরোহণ করেন। তাঁর শাসনামল ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও দুর্যোগপূর্ণ। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ ১৭৫৫ সালে আলীবর্দী খাঁ জীবিত ছিলেন। ১৭৫৭ সালে ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধে সিরাজের পতন ও মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। ১৭৫৮ সাল মীর জাফরের আজ্ঞাবহ শাসনামলের অন্তর্গত, সিরাজউদ্দৌলার সিংহাসনারোহণের সাল নয়।
43.
পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন-
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
সঠিক উত্তর: ক্লাইভ। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক বাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে অত্যন্ত ধূর্ততার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লর্ড রবার্ট ক্লাইভ। তার কূটকৌশলেই সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটেছিল। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ অ্যাডমিরাল ওয়াটসন নৌবাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন। সিনফ্রে ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে যুদ্ধ করা ফরাসি গোলন্দাজ বাহিনীর সেনাপতি। লর্ড কর্নওয়ালিস ভারতবর্ষে এসেছিলেন অনেক পরে, ১৭৮৬ সালে গভর্নর জেনারেল হয়ে।
44.
উপমহাদেশে মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের পত্তন হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
সঠিক উত্তর: ১৭৫৭। ঐতিহাসিকদের মতে, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় স্বাধীন নবাবী শাসনের অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়। এই বিশাল রাজনৈতিক পরিবর্তনের বছরটিকেই ভারতবর্ষে আধুনিক যুগের পত্তন বলে ধরা হয়। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ ১৭৫৫ বা ১৭৫৬ সালে স্বাধীন মোগল বা নবাবী শাসন অক্ষুণ্ণ ছিল। ১৭৫৮ সাল পলাশীর যুদ্ধ-পরবর্তী সময়, রূপান্তরের মূল ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালেই।
45.
বাৎসরিক কত টাকার বিনিময়ে কোম্পানি দেওয়ানি লাভ করে?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
সঠিক উত্তর: ২৪ লক্ষ। ১৭৬৫ সালে রবার্ট ক্লাইভ এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে মোগল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার দেওয়ানি লাভ করেন। প্রশ্নব্যাংকের প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী কোম্পানি বাৎসরিক ২৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই অধিকার পেয়েছিল (যদিও ঐতিহাসিক দলিলে অঙ্কের ভিন্নতা রয়েছে)। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ পরীক্ষক মণ্ডলীর নির্ধারিত মানদণ্ড এবং প্রচলিত প্রশ্নের উত্তরে ২৫ বা ২৭ লক্ষ টাকার কোনো চুক্তির অস্তিত্ব সমর্থন করা হয় না, তাই লজিক্যাল এলিমিনেশন অনুযায়ী সেগুলো ভুল।
46.
কোন নবাবের সময় থেকে দিল্লিতে রাজস্ব পাঠানো প্রায় বন্ধ হয়ে যায়?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 1
সঠিক উত্তর: আলীবর্দী খাঁ। নবাব আলীবর্দী খাঁ একজন স্বাধীনচেতা ও চতুর শাসক ছিলেন। তিনি বাংলার নবাব হওয়ার পর মোগল সম্রাটকে নামমাত্র সম্মান দেখালেও অত্যন্ত সুকৌশলে দিল্লিতে বার্ষিক রাজস্ব বা উপঢৌকন পাঠানো সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়ে বাংলাকে একটি কার্যত স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করেন। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ সিরাজউদ্দৌলা অল্প সময় ক্ষমতায় ছিলেন এবং যুদ্ধবিগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন। মীর জাফর ও মীর কাশিম ছিলেন ইংরেজদের হাতের পুতুল, তারা স্বাধীন ছিলেন না।
47.
মোগল শাসনতান্ত্রিক প্রথা ভঙ্গ করে কে প্রথম দেওয়ানির পদটিও নিজে দখল করেন?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
সঠিক উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা। মোগল শাসনতান্ত্রিক প্রথা অনুযায়ী সুবাদার (প্রশাসক) এবং দেওয়ান (রাজস্ব কর্মকর্তা) ছিলেন আলাদা ব্যক্তি। কিন্তু নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতার সম্পূর্ণ কেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী প্রথা ভঙ্গ করে দেওয়ানির গুরুত্বপূর্ণ পদটিও নিজের কর্তৃত্বে নিয়ে এসেছিলেন। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ আলীবর্দী খাঁ প্রথাগতভাবে শাসন পরিচালনা করতেন। মীর জাফর ছিলেন ক্ষমতাহীন পুতুল নবাব। মুর্শিদকুলী খান নিজেই দেওয়ান হিসেবে বাংলায় এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে সুবাদার হয়েছিলেন, অবৈধভাবে পদ দখল করেননি।
48.
বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 1
সঠিক উত্তর: রেজা খান। ১৭৬৫ সালে ব্রিটিশ কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করার পর সরাসরি রাজস্ব আদায়ের ঝুঁকি না নিয়ে 'দ্বৈত শাসন' ব্যবস্থা চালু করে। এ সময় বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব একজন দেশীয় নায়েব-দেওয়ান সৈয়দ মোহাম্মদ রেজা খানের ওপর অর্পণ করা হয়েছিল। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ সেতাব রায়কে নিযুক্ত করা হয়েছিল বিহারের রাজস্ব আদায়ের জন্য। নজমুদ্দৌলা ছিলেন একজন ক্ষমতাহীন নবাব। রামনারায়ণ ছিলেন বিহারের একজন স্থানীয় হিন্দু গভর্নর বা শাসক।
49.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরে বাংলায় কত লোক মারা যায়?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 4
সঠিক উত্তর: এক-তৃতীয়াংশ। ১৭৭০ সালে (বাংলা ১১৭৬) বাংলায় সংঘটিত ভয়াবহ 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর'-এ অনাহার ও মহামারিতে তৎকালীন মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (প্রায় এক কোটি) মানুষ মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছিল। কোম্পানির অতিরিক্ত করের বোঝাই ছিল এই দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণ। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ উইলিয়াম হান্টারসহ তৎকালীন ব্রিটিশ ঐতিহাসিকদের নির্ভরযোগ্য নথিপত্র অনুযায়ী মৃতের এই ভয়াবহ হারটি এক-ষষ্ঠাংশ, এক-পঞ্চমাংশ বা এক-চতুর্থাংশের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। তিন ভাগের এক ভাগ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।
50.
কত খ্রিষ্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ স্বদেশে ফিরে যান?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
সঠিক উত্তর: ১৭৬৭। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম স্থপতি রবার্ট ক্লাইভ তার দ্বিতীয় মেয়াদের শাসনকাল সমাপ্ত করে এবং বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করে ১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে চূড়ান্তভাবে স্বদেশে (ইংল্যান্ডে) ফিরে যান। পরে তিনি সেখানে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের সম্মুখীন হয়েছিলেন। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ ১৭৭৫ বা ১৭৭৬ সাল ক্লাইভের ভারতত্যাগের সাল নয়, তিনি ১৭৭৪ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন। ১৭৭৮ সালেও তিনি জীবিত ছিলেন না। তাই ঐতিহাসিক কালানুক্রম অনুসারে ১৭৬৭ সালই সঠিক উত্তর।
51.
উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 1
সঠিক উত্তর: রবার্ট ক্লাইভ। ধূর্ত ও কৌশলী ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা লর্ড রবার্ট ক্লাইভকে ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। ১৭৫৭ সালের ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধে তার নেতৃত্বেই নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটে এবং ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মজবুত ভিত্তি স্থাপিত হয়। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ কার্টিয়ার ছিলেন একজন সাধারণ গভর্নর। ওয়াটসন ছিলেন নৌ-সেনাপতি, সাম্রাজ্যের রূপকার নন। কর্নওয়ালিস ভারতে এসেছিলেন ক্লাইভের অনেক পরে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করতে।
52.
কত খ্রিষ্টাব্দে ক্লাইভ দ্বিতীয় বার বাংলায় আসেন?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 1
সঠিক উত্তর: ১৭৬৫। পলাশীর যুদ্ধের পর স্বদেশে ফিরে যাওয়া রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে গভর্নর নিযুক্ত হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলায় প্রত্যাবর্তন করেন। এই মেয়াদেই তিনি মোগল সম্রাটের কাছ থেকে দেওয়ানি লাভ করেন এবং বাংলায় কুখ্যাত 'দ্বৈত শাসন' চালু করেন। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধ হয়েছিল, তখন ক্লাইভ বাংলায় ছিলেন না। ১৭৬৬ বা ১৭৬৭ সাল তার আগমনের সাল নয়, বরং ১৭৬৭ সালে তিনি চিরতরে বাংলা ত্যাগ করে ইংল্যান্ডে ফিরে যান।
53.
"অরণ্যের পশু পক্ষীর চোরাই শিকারীকে অরণ্যের প্রাণী সম্পদের রক্ষক করা হয়।" উক্তিটি করেন কে?
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 1
সঠিক উত্তর: পার্সিভাল স্পিয়ার। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক পার্সিভাল স্পিয়ার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীদের দেওয়ানি লাভের পর একচেটিয়া শোষণ ও দ্বৈত শাসনের সমালোচনা করতে গিয়ে এই তীক্ষ্ণ উক্তিটি করেছিলেন। তিনি বুঝিয়েছিলেন, যারা আগে বেআইনি লুণ্ঠন করত, তাদের হাতেই বৈধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ জনস্টন এমন কোনো বিখ্যাত উক্তি করেননি। কর্নওয়ালিস এবং হেস্টিংস কোম্পানির গভর্নর ছিলেন, তারা নিজেদের বা কোম্পানির শোষণমূলক নীতির এমন কঠোর সমালোচনা করেননি।