Subjects & Chapters

Chapters

সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ.. সমাজবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক মর্যাদা সমাজবিজ্ঞানীদের মতবাদ ও অবদান সমাজবিজ্ঞানর মৌল প্রত্যয়. সামাজিক প্রতিষ্ঠান. সামাজজীবনের প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান.. সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া. সামাজিক স্তর বিন্যাস ও অসমতা. সামাজিক ব্যবস্থা.... বিচ্যুতিমূলক আচরণ এবং অপরাধ.. সামাজিক পরিবর্তন. বাংলাদেশের সামাজিক চর্চার বিকাশ... বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি প্রত্নতত্ত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সমাজ ও সভ্যতা বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠীর জীবনধারা বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সামাজিক প্রেক্ষাপট, বাংলাদেশের গ্রামীন ও শহুরে সমাজ বাংলাদেশের বিবাহ, পরিবার ও জ্ঞাতিসম্পর্ক, বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা ও প্রতিকারের উপায়. বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন

Practice Questions

Total Questions: 23

21.
সমাজবিজ্ঞানের গবেষণাসমূহ কেন সম্পূর্ণ মূল্যবোধ নিরপেক্ষ হয় না?
সঠিক উত্তর হলো গবেষণা উপাদান ও গবেষক মানুষ বলে। সমাজবিজ্ঞানে যিনি গবেষণা করেন (গবেষক) তিনি মানুষ এবং যাঁর ওপর গবেষণা করা হয় (উপাদান) তিনিও মানুষ। মানুষের নিজস্ব আবেগ, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ থাকে, যা সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে নির্মোহ বা বস্তুনিষ্ঠভাবে সমাজ নিয়ে গবেষণা করা প্রায় অসম্ভব করে তোলে। তাই অপশন ৩ সঠিক। অন্যদিকে, অপশন ১ (সমাজ পরিবর্তনশীল বলে) গবেষণার ফলাফল পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে, কিন্তু এটি সরাসরি মূল্যবোধ নিরপেক্ষতার অভাবের কারণ নয়। অপশন ২ (সামাজিক সমস্যার জন্য) এবং অপশন ৪ (পদ্ধতিগত দুর্বলতার জন্য) মূল্যবোধের অন্তর্নিহিত মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবকে কোনোভাবেই ব্যাখ্যা করে না। তাই বাকি অপশনগুলো ভুল।
22.
সামগ্রিক বা সকলের নিকট থেকে তথ্য সংগ্রহকে বলা হয়-
সঠিক উত্তর হলো শুমারি জরিপ (Census)। যখন কোনো গবেষণায় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট অংশকে না বেছে, বরং সমগ্র পপুলেশনের প্রতিটি একক বা সকলের নিকট থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তখন তাকে শুমারি বা Census বলা হয় (যেমন- আদমশুমারি)। তাই অপশন ৪ সঠিক। (বি.দ্র. প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর 'ক' তাত্ত্বিকভাবে সম্পূর্ণ ভুল)। অন্যদিকে, অপশন ১ (নমুনা জরিপ) হলো সমগ্র জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র প্রতিনিধিত্বমূলক অংশ থেকে তথ্য নেওয়া, সবার কাছ থেকে নয়। অপশন ২ (ঘটনা জরিপ) এবং অপশন ৩ (গণনা জরিপ) সামাজিক গবেষণার কোনো প্রমিত পদ্ধতি বা সুনির্দিষ্ট পরিভাষা নয়। তাই বাকি অপশনগুলো ভুল।
23.
সামাজিক বিষয়াদি অধ্যয়ন ও গবেষণায় ভারস্টেহেন পদ্ধতি ব্যবহারের কথা কে বলেছেন?
সঠিক উত্তর হলো ম্যাক্স ওয়েবার। বিখ্যাত জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার সামাজিক গবেষণায় 'ভারস্টেহেন' (Verstehen) বা 'গভীর অন্তর্দৃষ্টিমূলক বোঝাপড়া' পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। এর অর্থ হলো, গবেষককে নিজেকে গবেষণার পাত্রের জায়গায় বসিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যেকোনো সামাজিক ক্রিয়াকে গভীরভাবে বুঝতে হবে। তাই অপশন ৪ সঠিক। অন্যদিকে, অপশন ১ (অগাস্ট কোঁৎ) সমাজবিজ্ঞানের জনক যিনি দৃষ্টবাদ বা পজিটিভিজমের কথা বলেছেন, ভারস্টেহেনের নয়। অপশন ২ (ম্যাকাইভার) সামাজিক সম্পর্কের জালের কথা বলেছেন। অপশন ৩ (রবার্টসন) একজন আধুনিক সমাজবিজ্ঞানী যাঁর তত্ত্বে ভারস্টেহেনের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। তাই অন্য সমাজবিজ্ঞানীদের তাত্ত্বিক কাঠামোর ভিন্নতার কারণে বাকি অপশনগুলো ভুল।