Subjects & Chapters

Chapters

বাংলাদেশ পরিচিতি অবস্থান, সীমান ও আয়তন বাংলাদেশের ভূমিরূপ ও ভৌগোলিক পরিক্রমা আবহাওয়া ও জলবায়ু প্রাচীন বাংলার ইতিহাস প্রাচীন ভারতের সাম্রাজ্য মধ্যযুগে উপমহাদেশ/বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস উপমহাদেশে উপনিবেশিক শাসনের সূচনাপর্ব ব্রিটিশ শাসনামলে উপমহাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তন পাকিস্তান আমল (১৯৪৭-১৯৭১) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা অর্জন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও গণ অভ্যুত্থান বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি বাংলাদেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা ও নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বাংলাদেশের নদ-নদী, বাঁধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্পদ বাংলাদেশের অর্থনীতি বাংলাদেশের ব্যাংক ও বিমা ব্যবস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সরকারের আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা বাংলাদেশের বিখ্যাত স্থাপত্য ও ভাস্কর্য বাংলাদেশের বিখ্যাত স্থান ও স্থাপনা বাংলাদেশের প্রথম, বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম, দীর্ঘতম, শ্রেষ্ঠতম বাংলাদেশের জাদুঘর পরিচিতি বাংলাদেশের বিখ্যাত অপারেশন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বাংলাদেশের গণমাধ্যম পুরস্কার ও সম্মাননা বাংলাদেশের খেলাধুলা অঙ্গন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (ইতিহাস ও সভ্যতা) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (ভূগোল ও পরিবেশ) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (শিল্প সাহিত্য ও উক্তি) বিজ্ঞান , প্রযুক্তি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সংগঠন

Practice Questions

Total Questions: 113

61.
নিম্নের উল্লেখিত বাংলাদেশের কোন জেলার সংগে ভারতের সীমান্ত নেই? [NU-Business: 13-14]
সঠিক উত্তর (বান্দরবান): বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার সাথে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই; এই জেলার সীমানা কেবল মিয়ানমারের সাথে যুক্ত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে শুধুমাত্র মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। ভুল অপশনসমূহ: রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয়েরই সীমান্ত রয়েছে। অন্যদিকে, খাগড়াছড়ি ও শেরপুর জেলার সাথে সরাসরি ভারতের সীমানা যুক্ত। সুতরাং, ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমান্ত মানচিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অন্যান্য অপশনগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল কারণ তাদের সাথে ভারতের সীমান্ত বিদ্যমান। আগামী 25/26 শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য এই মানচিত্রভিত্তিক তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
62.
নীল নদ কোন দু'টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত? [কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স-এর কার্যালয়ের জুনিয়র অডিটর-১৪]
সঠিক উত্তর মিশর-সুদান। নীলনদ আফ্রিকার মোট ১১টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এর মূল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অববাহিকা সুদান এবং মিশরের ওপর দিয়ে অতিবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে মিশেছে। সুদানের রাজধানী খার্তুমে শ্বেত নীল ও নীলাভ নীল নদ মিলিত হয়ে মূল নীলনদ গঠন করে। অন্যদিকে, লিবিয়া একটি মরুভূমির দেশ এবং সেখানে নীলনদের কোনো প্রবাহ নেই, তাই ক ও গ অপশন বাতিল। ঘানা পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ, যার সাথে পূর্ব আফ্রিকায় প্রবাহিত নীলনদের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। সুতরাং, লজিক্যাল এলিমিনেশন পদ্ধতিতে অন্যান্য অপশনগুলো ভুল।
63.
নীল নদের উৎপত্তি কোথায়? [JU B Unit (Set-5): 2024-2025: পদ উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের একটি খামার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী-১৭: রাবি ০৭-০৮]
সঠিক উত্তর ভিক্টোরিয়া হ্রদ। নীলনদের প্রধান স্রোতধারা 'শ্বেত নীল নদ'-এর উৎপত্তিস্থল হলো আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ লেক ভিক্টোরিয়া, যা তাঞ্জানিয়া, উগান্ডা এবং কেনিয়ার সীমানায় অবস্থিত। অন্যদিকে, সল্ট লেক বা গ্রেট সল্ট লেক যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত, আফ্রিকার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। বৈকাল হ্রদ হলো রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের গভীরতম হ্রদ, যা এশিয়ার ভূখণ্ডে পড়ে। আলেকজান্ডার হ্রদ নামে নীলনদের উৎপত্তির সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রধান ভৌগোলিক জলাশয় নেই। উৎপত্তিস্থলের সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক প্রমাণ থাকায় বাকি তিনটি অপশন লজিক্যাল এলিমিনেশনে ভুল প্রমাণিত হয়।
64.
নীলনদ প্রবাহিত- [রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়]
সঠিক উত্তর দক্ষিণ থেকে উত্তরে। নীলনদের উৎপত্তিস্থল আফ্রিকার নিরক্ষীয় অঞ্চলের ভিক্টোরিয়া হ্রদ (দক্ষিণাংশে) এবং এটি সেখান থেকে প্রবাহিত হয়ে উত্তর দিকে মিশর অতিক্রম করে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। নদীর এমন উত্তরমুখী প্রবাহ ভৌগোলিক দিক থেকে বেশ বিরল। অন্যদিকে, নদীটি উত্তর দিক থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়নি, কারণ ভূমধ্যসাগর থেকে নদীর উৎপত্তি হয়নি। এটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে বা পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকেও সমান্তরালভাবে প্রবাহিত হয়নি। ভৌগোলিক গতিপথের এই সুস্পষ্ট লক্ষণের কারণে বাকি তিনটি অপশন যৌক্তিকভাবেই ভুল প্রমাণিত হয়।
65.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাসাগরের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করেছে? [SUST B Unit: 2024-2025]
পানামা খাল (Panama Canal) মধ্য আমেরিকার পানামা দেশের যোজক কেটে তৈরি করা হয়েছে, যা আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সরাসরি এবং সংক্ষিপ্ত নৌ-যোগাযোগ স্থাপন করেছে। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, আর্কটিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে বেরিং প্রণালি, পানামা খাল নয়। প্রশান্ত ও দক্ষিণ মহাসাগর প্রাকৃতিকভাবেই যুক্ত, সেখানে কোনো খালের প্রয়োজন নেই। আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে যুক্ত, এদের মাঝে কোনো খাল নেই। তাই অন্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল।
66.
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে- [A-ইউনিট (গ্রুপ-২) ২০-২১]
হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে। এটি আরব উপদ্বীপের ওমান এবং ইরানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, জিব্রাল্টার প্রণালি ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। বেরিং প্রণালি আর্কটিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। ডোভার প্রণালি ইংলিশ চ্যানেল এবং উত্তর সাগরকে সংযুক্ত করেছে (যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মাঝে)। সুতরাং, ভৌগোলিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে অন্য বিকল্পগুলো ভুল প্রমাণিত হয়।
67.
পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত অংশ? [NU: 13-14]
সঠিক উত্তর (এক-দশমাংশ): পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) সম্মিলিত আয়তন প্রায় ১৩,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার, যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের (১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.) প্রায় এক-দশমাংশ বা ১০% এর কাছাকাছি একটি অংশ। ভুল অপশনসমূহ: এক-চতুর্থাংশ (২৫%), এক-পঞ্চমাংশ (২০%) বা এক-অষ্টমাংশ (১২.৫%) পরিসংখ্যানগতভাবে সঠিক নয়, কারণ পার্বত্য অঞ্চলের আয়তন মোট ভূখণ্ডের এত বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত নয়। গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী ১০% বা এক-দশমাংশই সবচেয়ে যৌক্তিক উত্তর, ফলে বাকি অপশনগুলো সহজেই এলিমিনেট হয়ে যায়। 25/26 শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা এর সাধারণ জ্ঞানে এই অনুপাতভিত্তিক প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
68.
পৃথিবীর (তথা আফ্রিকার) দীর্ঘতম নদী- [সমাজসেবা অধিদপ্তর ইউনিয়ন সমাজকর্মী- ১৬: জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা সহকারী পরিচালক- ১৫;পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা-১৪]
সঠিক উত্তর নীলনদ। নীলনদ (Nile River) হলো আফ্রিকা মহাদেশ তথা সমগ্র বিশ্বের দীর্ঘতম নদী, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার। এটি আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে। অন্যদিকে, কঙ্গো নদী আফ্রিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী, তাই এটি দীর্ঘতম নয়। নাইজার নদীও পশ্চিম আফ্রিকার একটি প্রধান নদী, তবে দৈর্ঘ্যে নীলনদের চেয়ে অনেক ছোট। আমাজন বিশ্বের বৃহত্তম নদী (পানি প্রবাহের দিক দিয়ে) হলেও এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত এবং দৈর্ঘ্যের দিক দিয়ে নীলনদের ঠিক পরেই এর অবস্থান। তাই অন্যান্য অপশনগুলো তথ্যগতভাবে সঠিক উত্তর নয়।
69.
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ কোনটি? [A ইউনিট, C সেট; ২০-২১]
সঠিক উত্তর নীল। নীলনদ (Nile) হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী, যার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার এবং এটি পূর্ব আফ্রিকার বিশাল অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত। অন্যদিকে, আমাজন হলো জলপ্রবাহ ও অববাহিকার দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম নদী, কিন্তু দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি নীলনদের পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ইয়াং সি কিয়াং এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী। হোয়াং হো বা পীত নদী এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী, তবে বৈশ্বিক পরিসরে এটি দীর্ঘতম নয়। তাই দৈর্ঘ্যের বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে বাকি তিনটি অপশন লজিক্যাল এলিমিনেশনে বাতিল হয়ে যায়।
70.
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী 'নীলনদ' কয়টি দেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে? [০৭-০৮]
সঠিক উত্তর ১১টি। নীলনদের অববাহিকা আফ্রিকা মহাদেশের মোট ১১টি দেশের ওপর বিস্তৃত। এই দেশগুলো হলো- তাঞ্জানিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান এবং মিশর। এই সুবিশাল নদী অববাহিকার কারণে এটি একটি আন্তর্জাতিক নদী হিসেবে স্বীকৃত। অন্যদিকে, ৭টি, ৮টি বা ৯টি দেশের সংখ্যা ভুল, কারণ নীলনদের সামগ্রিক অববাহিকা এর চেয়ে আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়ানো। ভৌগোলিক এবং রাজনৈতিক মানচিত্র অনুযায়ী দেশের সঠিক সংখ্যা ১১টি হওয়ার কারণে বাকি তিনটি গাণিতিক অপশন ভুল।
71.
পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী- [রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (শিউলি) ১১]
সঠিক উত্তর আমাজন। দৈর্ঘ্যের দিক দিয়ে আমাজন নদী পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৪০০ কিলোমিটার। এটি জলপ্রবাহের দিক দিয়ে প্রথম হলেও দৈর্ঘ্যে নীলনদের ঠিক পরেই অবস্থান করে। অন্যদিকে, নীল নদ হলো বিশ্বের প্রথম দীর্ঘতম নদী, তাই এটি দ্বিতীয় দীর্ঘতম হতে পারে না। মিসিসিপি নদী উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী হলেও বৈশ্বিক তালিকায় এটি চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। সেন্ট লরেন্স নদী উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হলেও এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদীগুলোর শীর্ষ তালিকায় নেই। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণে বাকি তিনটি অপশন সম্পূর্ণরূপে ভুল প্রমাণিত হয়।
72.
বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে কোন প্রণালি?
মালাক্কা প্রণালি (Strait of Malacca) আন্দামান সাগর (যা বঙ্গোপসাগরের সাথে যুক্ত) এবং দক্ষিণ চীন সাগর বা জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে। এটি মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত। তাই এটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, বেরিং প্রণালি উত্তর মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। জিব্রাল্টার প্রণালি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। সুন্দা প্রণালি জাভা সাগর এবং ভারত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে, বঙ্গোপসাগরকে নয়। সুতরাং, সামুদ্রিক সংযোগের ভিত্তিতে অন্য তিনটি অপশন ভুল।
73.
বাংলাদেশ একটি-
সঠিক উত্তর (গণপ্রজাতন্ত্রী): বাংলাদেশের সংবিধানের ১নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক নাম হলো 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' (The People's Republic of Bangladesh)। এখানে সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং এটি একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। ভুল অপশনসমূহ: বাংলাদেশ কোনো ধর্মভিত্তিক 'ইসলামি প্রজাতন্ত্র' নয়। শুধু 'প্রজাতন্ত্র' বা 'গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র' শব্দগুলো সংবিধানের দাপ্তরিক নামের পূর্ণাঙ্গ বা সঠিক প্রকাশ নয়। সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি উল্লেখ থাকায়, আইনি ও সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে অন্য যেকোনো অপশন আংশিক বা সম্পূর্ণ ভুল হিসেবে গণ্য হবে। 25/26 ভর্তি পরীক্ষা এর জন্য সাংবিধানিক এই তথ্যটি অপরিবর্তনীয়।
74.
বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ছিটমহল সংখ্যা কত ছিল?
সঠিক উত্তর (১৬২): ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা সমাধানের অংশ হিসেবে ২০১৫ সালে যে ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময় হয়, তার আগে দুই দেশের সর্বমোট ছিটমহলের সংখ্যা ছিল ১৬২টি (বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি)। ভুল অপশনসমূহ: ১৭২, ১৫২ বা ১৪২ সংখ্যাগুলো সঠিক নয় কারণ সরকারি ল্যান্ড বাউন্ডারি এগ্রিমেন্ট (LBA) চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে ১৬২টি ছিটমহলেরই উল্লেখ রয়েছে। ঐতিহাসিক ও দাপ্তরিক নথিতে এই নির্দিষ্ট সংখ্যার বাইরে অন্য কোনো সংখ্যার অস্তিত্ব নেই, তাই অন্য বিকল্পগুলো গাণিতিকভাবে ভুল। 25/26 ভর্তি পরীক্ষা এর জন্য এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উপাত্ত।
75.
বাংলাদেশ রাইফেলস-এর পরিবর্তিত নাম-[NU: 13-14]
সঠিক উত্তর (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ): ২০০৯ সালের মর্মান্তিক পিলখানা বিদ্রোহের পর, ২০১০ সালের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইনের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ রাইফেলস' (BDR) এর নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ' (BGB) রাখা হয় এবং বাহিনীর লোগো ও ইউনিফর্মও পরিবর্তন করা হয়। ভুল অপশনসমূহ: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড, বাংলাদেশ সীমান্ত বাহিনী—এই নামগুলো দাপ্তরিক বা আইনগতভাবে স্বীকৃত নয়। সরকারি গেজেট ও আইন অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট নাম হলো 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ'। তাই কাছাকাছি মনে হলেও নামের সঠিক কাঠামোর অভাবে অন্য অপশনগুলো ভুল হিসেবে পরিগণিত হবে। 25/26 ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য এটি জানা প্রয়োজন।
76.
বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়? [NSTU-D: 19-20]
সঠিক উত্তর (ট্রপিক অব ক্যান্সার): বাংলাদেশের অবস্থান উত্তর গোলার্ধে এবং দেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বা ট্রপিক অব ক্যান্সার (কর্কটক্রান্তি রেখা) অতিক্রম করেছে। এটি বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু হিসেবে নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা রাখে। ভুল অপশনসমূহ: ইকুয়েটর (নিরক্ষরেখা) শূন্য ডিগ্রি অক্ষাংশে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের অনেক নিচে। আর্কটিক সার্কেল (সুমেরু বৃত্ত) মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত। আর ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন (মকরক্রান্তি) দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। ফলে ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক ব্যবস্থার নিয়ম অনুযায়ী এই তিনটি অপশন পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও ভুল। 25/26 শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা এর জন্য এটি জরুরি।
77.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে কোন রেখা অতিক্রম করেছে?
সঠিক উত্তর (৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা): এই ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় ঠিক মাঝখান দিয়ে (শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা ইত্যাদির উপর দিয়ে) অতিক্রম করেছে, যার ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশের প্রমাণ সময় বা স্ট্যান্ডার্ড টাইম (GMT + 6 hours) নির্ধারিত হয়। ভুল অপশনসমূহ: মকরক্রান্তি রেখা পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের একটি রেখা এবং বিষুব রেখা পৃথিবীর মধ্যভাগের (০° অক্ষাংশ) রেখা, যেগুলোর কোনোটিই বাংলাদেশের সীমানার আশেপাশেও নেই। তাই ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই রেখাগুলো বাংলাদেশের উপর দিয়ে যায়নি, ফলে অপশন ১ ও ৩ যৌক্তিকভাবে ভুল। 25/26 ভর্তি পরীক্ষা এর সাধারণ জ্ঞানে এটি বারবার আসে।
78.
বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের কয়টি ছিটমহল আছে?[NU: 14-15]
সঠিক উত্তর (১১১): ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ছিটমহল চুক্তির পূর্বে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহল অবস্থিত ছিল। পরবর্তীতে এই ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে যায়। ভুল অপশনসমূহ: ১১০, ১০৫ বা ১০০ সংখ্যাগুলো ঐতিহাসিকভাবে অশুদ্ধ। সরকারি চুক্তি ও দলিল অনুযায়ী ভারতের ছিটমহলের সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে ১১১টি ছিল এবং বাংলাদেশের ছিল ৫১টি (মোট ১৬২টি)। তাই গাণিতিক তথ্যের গরমিলের কারণে বাকি তিনটি বিকল্প সম্পূর্ণ ভুল। 25/26 শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা এর জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত সম্পর্কিত এই অতীত ডেটাগুলো অত্যন্ত জরুরি।
79.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল? [KU-B: 19-20]
সঠিক উত্তর (১২): জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বা UNCLOS অনুযায়ী, বাংলাদেশের উপকূলীয় তটরেখা বা বেজলাইন থেকে সমুদ্রের দিকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকাটি 'রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা' বা Territorial Sea হিসেবে পরিগণিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে। ভুল অপশনসমূহ: ১০, ১৪ বা ১৬ নটিক্যাল মাইল কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা নির্ধারিত রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা নয়। অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা (EEZ) ২০০ নটিক্যাল মাইল হলেও, রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা সর্বদাই ১২ নটিক্যাল মাইল। তাই এই সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনের কারণে অন্য তিনটি অপশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভুল প্রমাণিত হয়। 25/26 ভর্তি পরীক্ষা এর জন্য এটি প্রাসঙ্গিক।
80.
বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বসতি কোন জেলায়? [CQU-B: 24-25]
সঠিক উত্তর (বান্দরবান): দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল এবং বিপুল পরিমাণ সংরক্ষিত বনাঞ্চল থাকায় বান্দরবান জেলায় জনবসতি ও জনসংখ্যার ঘনত্ব বাংলাদেশের অন্যান্য যেকোনো জেলার তুলনায় সবচেয়ে কম (২০২২ শুমারি অনুযায়ী প্রতি বর্গ কিলোমিটারে মাত্র ৮৭ জন)। ভুল অপশনসমূহ: খাগড়াছড়ি এবং রাঙামাটিও পাহাড়ি এলাকা, তবে সেখানকার জনসংখ্যা ও ঘনত্ব বান্দরবানের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি। বরগুনা একটি উপকূলীয় সমতল জেলা, যেখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব পাহাড়ি এলাকার চেয়ে অনেক বেশি। তাই জনমিতির বৈজ্ঞানিক উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে বান্দরবান ছাড়া বাকি অপশনগুলো ভুল হিসেবে পরিগণিত হবে। 25/26 ভর্তি পরীক্ষা এর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ডেমোগ্রাফিক তথ্য।