Practice Questions

Total Questions: 94

21.
আবৃত্তি' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ কোনটি? [১৭ কলেজ মানবিক ইউনিট ২০২২-২৩]
আবৃত্তি' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হলো 'আব্‌রিত্তি' বা 'আ-বৃত্তি' (ক বিকল্পটি সর্বাধিক কাছাকাছি), তাই ক সঠিক। ব-এর সাথে র-ফলা এবং ত-এর সাথে ত-ফলা থাকার কারণে সঠিক উচ্চারণ নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে, 'আ-ববৃত্তি' (খ) ভুল কারণ ব-এর অপ্রয়োজনীয় দ্বিত্ব দেখানো হয়েছে। 'আবরিত্তি' (গ) ভুল কারণ ত-এর দ্বিত্ব স্পষ্ট নয়। 'আব-রিতি' (ঘ) ভুল কারণ এখানে ব্যঞ্জনের কাঠামোগত ত্রুটি রয়েছে। সুতরাং অন্য তিনটি বিকল্প ভুল।
22.
আহ্লাদ' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ- [রাবি ক ইউনিট, (গ্রুপ-৩) ২০২০-২১]
আহ্লাদ' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হলো 'আল্হাদ্', তাই খ বিকল্পটি সঠিক। হ-এর সাথে ল-ফলা যুক্ত থাকলে উচ্চারণের সময় ল-এর ধ্বনি আগে এবং হ-এর ধ্বনি পরে উচ্চারিত হয়। অন্যদিকে, 'আল্লাদ' (ক) ভুল কারণ এখানে ল-এর দ্বিত্ব দেখানো হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। 'আহলাদ' (গ) ভুল কারণ হ আগে উচ্চারিত হচ্ছে। 'আললাহদ' (ঘ) ভুল কারণ এতে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে। তাই অন্যগুলো অশুদ্ধ।
23.
আহ্বান' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ [ক ইউনিট ২০২৩-২৪]
আহ্বান' শব্দের সঠিক ও প্রমিত উচ্চারণ হলো 'আও্ভান্'। এখানে 'হ' ও 'ব'-ফলা যুক্ত হয়ে 'ওভ' বা 'ওব' এর মতো উচ্চারিত হয়। অন্যদিকে, 'আহোব্বান্' (ক) ভুল কারণ এখানে 'ব'-এর দ্বিত্ব দেখানো হয়েছে যা নিয়মানুযায়ী হয় না। 'আহোবান্' (খ) উচ্চারণটিও অশুদ্ধ কারণ 'হ'-এর উচ্চারণ এখানে স্পষ্ট রাখা হয়েছে। 'আহোভান্' (ঘ) ভুল কারণ এটি বাংলা একাডেমির রীতির পরিপন্থি। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো বাতিলযোগ্য।
24.
আহ্বান' শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি? NU (09-10); ঢাবি বিজ্ঞান (২৩-২৪); গ (১৮-১৯); RU:A (২৩-২৪, ২১-২২); GST B (২১-২২); কুবি: C (১৯-২০)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩ (আওভান্)। বাংলা উচ্চারণ বিধি অনুসারে, 'হ' এর সাথে 'ব' ফলা যুক্ত থাকলে সেই 'হ' এবং 'ব' এর উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়ে 'ওভ' এর মতো উচ্চারিত হয়। তাই 'আহ্বান' উচ্চারণটি প্রমিত নিয়মে 'আওভান্' রূপ লাভ করে। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ১ (আহ্বান) ভুল কারণ এটি কেবল লিখিত রূপ, এখানে হ-এর নিজস্ব কোনো উচ্চারণ থাকে না। অপশন ২ (আহব্বান) ভুল কারণ এখানে 'ব'-এর দ্বিত্ব উচ্চারণ দেখানো হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়। সবশেষে অপশন ৪ (আহভভান) ভুল কারণ এখানে 'ভ' এর দ্বিত্ব দেখানো হয়েছে, যা উচ্চারণ বিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং শ্রুতিকটু।
25.
সম্মুখ-উচ্চ সংবৃত স্বরধ্বনি কোনটি? GST-B (23-24)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ১ (ই)। ভাষাবিজ্ঞান অনুযায়ী, 'ই' ধ্বনিটি উচ্চারণ করার সময় জিহ্বা সামনের দিকে উঁচুতে অবস্থান করে, তাই এটি সম্মুখ-উচ্চ সংবৃত স্বরধ্বনি হিসেবে পরিচিত। এটি উচ্চারণ বৈশিষ্ট্যের মৌলিক নিয়ম। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ২ (উ) ভুল কারণ এটি একটি পশ্চাৎ-উচ্চ সংবৃত স্বরধ্বনি, সম্মুখ নয়। অপশন ৩ (এ) ভুল কারণ এটি একটি সম্মুখ-উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি, সম্পূর্ণ উচ্চ নয়। সবশেষে অপশন ৪ (অ্যা) ভুল কারণ এটি একটি সম্মুখ-নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি হিসেবে কাজ করে। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণে অপশন ১-ই একমাত্র সঠিক উত্তর হিসেবে পরিগণিত হয়।
26.
ঞ' ধ্বনির উচ্চারণ কোনটি? [GST-C: 23-24]
সঠিক উত্তরটি হলো 'ইঁয়ো'। বাংলা বর্ণমালায় ‘ঞ’ (nasalized) বর্ণটির প্রমিত এবং স্বতন্ত্র উচ্চারণ হলো 'ইঁয়ো'। এটি একটি নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি, তাই এর উচ্চারণে নাসিক্য প্রভাব বা চন্দ্রবিন্দু থাকা আবশ্যক। অপশন ১ (ইঅ) সম্পূর্ণরূপে ভুল কারণ এতে কোনো নাসিক্য ধ্বনির উপস্থিতি নেই এবং এটি কেবল দুটি স্বরধ্বনির যোগফল মাত্র। অপশন ২ (ইঅঁ) ভুল কারণ এখানে নাসিক্য ধ্বনি থাকলেও এর মূল উচ্চারণ 'ইয়ো' এর পরিবর্তে 'ইঅ' ব্যবহার করা হয়েছে যা শ্রুতিমধুর ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। অপশন ৩ (ইয়ো) ভুল কারণ এতে চন্দ্রবিন্দু বা নাসিক্য প্রভাব অনুপস্থিত, যা ‘ঞ’ বর্ণের মূল বৈশিষ্ট্যের পরিপন্থী। সুতরাং, নাসিক্য বৈশিষ্ট্য ও প্রমিত রূপ বিবেচনায় ৪নং অপশনটিই সম্পূর্ণ নির্ভুল ও ব্যাকরণসম্মত।
27.
ঙ'-এর সঠিক উচ্চারণ কোনটি? [GST (A ইউনিট) ২০২৩-২৪]
ঙ' বর্ণটির সঠিক ও প্রমিত উচ্চারণ হলো 'উঁঅ', তাই ক বিকল্পটি সঠিক। এটি একটি নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি, যার উচ্চারণ জিহ্বামূল থেকে নাসিকার সাহায্যে হয়। অন্যদিকে, 'ওয়ো' (খ), 'ওঅ' (গ), এবং 'উমঅঁ' (ঘ) উচ্চারণগুলো ধ্বনিতাত্ত্বিকভাবে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ এবং অবৈজ্ঞানিক। বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত উচ্চারণ রীতির কোথাও ঙ-এর এমন বিকৃত উচ্চারণের স্বীকৃতি নেই। সুতরাং, যৌক্তিক বিশ্লেষণ অনুসারে অন্য তিনটি বিকল্প সম্পূর্ণ ভুল।
28.
উহ্য' শব্দটির শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি? GST-B (23-24)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ১ (উজ্ঝো)। বাংলা উচ্চারণ বিধি অনুযায়ী, 'হ'-এর সাথে য-ফলা যুক্ত হলে তার উচ্চারণ সাধারণত 'জঝ'-এর মতো হয়ে যায় এবং য-ফলার প্রভাবে শেষের অ-ধ্বনিটি সংবৃত বা ও-কারান্ত (ঝো) হয়। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ২ (উজ্ঝো) একই হওয়ায় এটিও সঠিক, তবে সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমটিই বিবেচ্য, তাই বিকল্প হিসেবে বর্জিত। অপশন ৩ (উজ্ঝঝ) ভুল কারণ এখানে ও-কারান্ত রূপটি নেই এবং অতিরিক্ত 'ঝ' যুক্ত করা হয়েছে যা উচ্চারণকে বিকৃত করে। সবশেষে অপশন ৪ (কোনটিই নয়) ভুল কারণ প্রথম অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত উচ্চারণকে নির্দেশ করে।
29.
উচ্ছৃঙ্খল' শব্দটির উচ্চারণ কোনটি? [GST-C: 23-24]
সঠিক উত্তরটি হলো 'উচ্ছৃংখল্'। প্রমিত উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের মাঝে সংযুক্ত ব্যঞ্জন 'চ্ছ' থাকলে এবং তার আগে ই-কার বা উ-কার থাকলে উচ্চারণ দ্বিত্ব হয় এবং হসন্ত ব্যবহৃত হয়। এখানে 'উ' থাকার কারণে 'চ্‌ছ' উচ্চারিত হয় এবং শেষের 'ল' এর সাথে কোনো স্বরধ্বনি না থাকায় হসন্ত (ল্) হবে। অপশন ১ (উৎচ্ছৃংখল) ভুল কারণ এখানে অহেতুক 'ৎ' যুক্ত করা হয়েছে যা প্রমিত উচ্চারণের পরিপন্থী। অপশন ২ (উচচ্ছৃংখল্) ভুল কারণ এখানে 'চ' এবং 'চ্ছ' এর দ্বিত্ব ব্যবহার করা হয়েছে যা ধ্বনিতাত্ত্বিকভাবে অশুদ্ধ। অপশন ৪ (উচ্ছৃংখল) ভুল কারণ এর শেষে হসন্ত নেই, ফলে উচ্চারণটি অসম্পূর্ণ এবং ভুল স্বরধ্বনির ইঙ্গিত দেয়। তাই যৌক্তিক বিশ্লেষণে ৩নং অপশনই সঠিক।
30.
উদ্বুদ্ধ' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হচ্ছে-[GST A ইউনিট (বিজ্ঞান) ২০২২-২৩]
উদ্বুদ্ধ' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হলো 'উদ্বুদ্ধো' (উদ্‌বুদ্ধো), তাই গ বিকল্পটি সঠিক। এখানে ব-ফলা উচ্চারিত হয় এবং দ্ধ যুক্তবর্ণটির উচ্চারণ দ্‌ধো হয়। অন্যদিকে, 'উদবুদধো' (ক) ভুল কারণ এতে যুক্তবর্ণের সঠিক উচ্চারণ প্রতিফলিত হয়নি। 'উদ্বুদ্ধধো' (খ) ভুল কারণ এখানে অতিরিক্ত ধ যুক্ত করা হয়েছে। 'উদ্বুদ্‌দা' (ঘ) ভুল কারণ এটি প্রমিত উচ্চারণের কোনো নিয়মই মানে না। তাই বাকি তিনটি বিকল্প যৌক্তিকভাবে বাতিলযোগ্য।
31.
নিচের কোনটিতে ফলার উচ্চারণ হবে না? [খুবি C ইউনিট ২০২৪-২৫]
সূক্ষ্ম' শব্দটিতে ম-ফলার উচ্চারণ হয় না (উচ্চারণ: সুক্‌খো), তাই খ বিকল্পটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, 'উদ্বেগ' (ক) শব্দে ব-ফলার উচ্চারণ বহাল থাকে। 'সম্বন্ধ' (গ) শব্দে ব-ফলা বা যুক্তবর্ণের উচ্চারণ স্পষ্টভাবে হয়। 'বাগ্মী' (ঘ) শব্দেও ম-ফলার উচ্চারণ (বাগ্‌মি) বহাল থাকে। প্রমিত বাংলা উচ্চারণের নিয়মানুযায়ী, ক্ষ-এর সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে তা অনুচ্চারিত থাকে, তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো যৌক্তিকভাবে ভুল প্রমাণিত হয়।
32.
কোন ধ্বনি উচ্চারণে নাসিক্যতা থাকে না? চবি B1 (২১-২২); ঢাবি ব্যবসায় (২৩-২৪)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ১ (ঋ)। 'ঋ' একটি সাধারণ স্বরবর্ণ এবং এর উচ্চারণে বায়ু কেবল মুখ দিয়ে বের হয়, তাই এতে কোনো প্রকার নাসিক্যতা থাকে না। এটি সম্পূর্ণ মৌলিক ধ্বনি। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ২ (উঁ) ভুল কারণ চন্দ্রবিন্দু একটি সুস্পষ্ট নাসিক্য ধ্বনি নির্দেশক। অপশন ৩ (ঞ) ভুল কারণ 'ঞ' চ-বর্গের পঞ্চম বর্ণ হওয়ায় এটি জন্মগতভাবেই নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে পরিগণিত। সবশেষে অপশন ৪ (ং) ভুল কারণ অনুস্বার একটি পরাশ্রয়ী নাসিক্য ধ্বনি যা উচ্চারণের সময় বায়ু নাক দিয়েও বের হয়, তাই এতে নাসিক্যতা বিদ্যমান।
33.
এ' বর্ণের বিবৃত উচ্চারণের উদাহরণ... [চবি খ-১ উপ-ইউনিট ২০২৩-২৪]
খেলা' শব্দে 'এ' বর্ণের উচ্চারণ বিবৃত অর্থাৎ 'অ্যা'-এর মতো (খ্যালা) হয়, তাই ঘ বিকল্পটি সঠিক উত্তর। অন্যদিকে, 'একটি' (ক), 'এবার' (খ), এবং 'দেশ' (গ) শব্দগুলোতে 'এ' বর্ণের উচ্চারণ সংবৃত বা স্বাভাবিক 'এ'-এর মতোই থাকে। বাংলা উচ্চারণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী, একাক্ষর শব্দ বা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে 'এ' সংবৃত থাকে, কিন্তু 'খেলা' এর মতো শব্দে তা বিবৃত হয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো ভুল।
34.
এ' ধ্বনির উচ্চারণে কোন নিয়মটি সঠিক নয়? [BUP FSSS ইউনিট ২০২৩-২৪]
পদের অন্তে সংবৃত' (বা পদের অন্তে বিবৃত) নিয়মের মধ্যে 'পদের অন্তে বিবৃত' নিয়মটি 'এ' ধ্বনির ক্ষেত্রে সঠিক নয় (এখানে বিকল্প অনুযায়ী ঙ/৪ সঠিক ধরা হলো)। পদের শেষে 'এ' ধ্বনি সর্বদা সংবৃত (স্বাভাবিক) থাকে, বিবৃত (অ্যা) হয় না। একাক্ষর সর্বনামে এবং ই/উ কারের আগে 'এ' সংবৃত হয়, এটি সঠিক নিয়ম। তাই যেগুলো সঠিক নিয়ম সেগুলো উত্তর হতে পারে না, এবং ভুল নিয়মটিই সঠিক উত্তর।
35.
ঐতিহ্য' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হচ্ছে- [GST-C: 22-23]
সঠিক উত্তরটি হলো 'ওইতিঝ্জো' বা [ওইতিজ্‌ঝো]। বাংলা উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ঐ' এর উচ্চারণ 'ওই' হয়। শব্দের মাঝে 'ত' এর সাথে ই-কার যুক্ত হয়ে 'তি' হয়। 'হ্য' অর্থাৎ 'হ'-তে য-ফলা থাকলে এবং সেটি শব্দের মাঝে বা শেষে অবস্থান করলে তা সাধারণত 'ঝ' বা 'জ্‌ঝ' এর মতো উচ্চারিত হয়। অপশন ১ (ঐতিজ্ঝো) ভুল কারণ এতে 'ঐ' এর প্রমিত উচ্চারণ 'ওই' ব্যবহার করা হয়নি। অপশন ২ (ওইতিঝ্ঝো) ভুল কারণ এতে সংযুক্ত ব্যঞ্জনের উচ্চারণ সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি এবং এটি ধ্বনিতাত্ত্বিকভাবে অশুদ্ধ। অপশন ৩ (ওইতিজঝো) ভুল কারণ এতে হসন্তের সঠিক প্রয়োগ নেই, যা প্রমিত উচ্চারণের জন্য অপরিহার্য। তাই যৌক্তিক এবং ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ অনুযায়ী ৪নং অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
36.
অজ্ঞাত' শব্দের প্রকৃত উচ্চারণ কোনটি? NU (13-14)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩ (অগ্‌গ্যাঁতো)। বাংলা প্রমিত উচ্চারণ বিধি অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে 'অ' এবং তারপরে 'জ্ঞ' (জ+ঞ) থাকলে প্রথম 'অ'-এর উচ্চারণ বিবৃত (স্বাভাবিক 'অ'-এর মতো) হয় এবং 'জ্ঞ'-এর উচ্চারণ 'গ্‌গ্য' হয়। এখানে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) যুক্ত হবে কারণ 'ঞ' একটি নাসিক্য বর্ণ। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ১ (ও'গ্যাত) ভুল হিসেবে বিবেচিত হবে কারণ শুরুতে 'ও' উচ্চারণ হবে না এবং এতে নাসিক্য স্বর নেই। অপশন ২ (অগ্‌গ্যত) ভুল কারণ শব্দের শেষে 'তো' বা ও-কারান্ত উচ্চারণ যুক্ত করা হয়নি। সবশেষে অপশন ৪ (ও'গগাত) ভুল কারণ এখানে 'গগ' এবং 'আ' কারের বিকৃতি ঘটেছে, যা উচ্চারণ বিধিসম্মত নয়।
37.
অধ্যাপক' শব্দের উচ্চারিত রূপ কী? HSTU: D (২৪-২৫); ঢাবি খ (১৭-১৮)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ১ (ওদ্ধাপোক্)। উচ্চারণ বিধি অনুযায়ী, শব্দের শুরুতে অ-বর্ণের পর য-ফলা যুক্ত ব্যঞ্জন থাকলে 'অ' এর উচ্চারণ সংবৃত অর্থাৎ ও-কারান্ত হয়। 'ধ' এর য-ফলার কারণে ধ-এর দ্বিত্ব (দ্+ধ) ঘটে এবং শেষের প-ও সংবৃত (পোক) হয়। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ২ (অধ্যপক) ভুল কারণ এটি বানানের অনুরূপ এবং এখানে কোনো সংবৃত উচ্চারণ নেই। অপশন ৩ (ওদধাপক) ভুল কারণ এখানে শেষের 'প'-এর সাথে যুক্ত অ-ধ্বনিটি সংবৃত বা ও-কারান্ত করা হয়নি। সবশেষে অপশন ৪ (ওধদাপক) ভুল কারণ এখানে যুক্তব্যঞ্জনের বিভাজনটি ভুলভাবে দেখানো হয়েছে যা রীতির পরিপন্থী।
38.
অপ্রতুল' শব্দের ঠিক উচ্চারণ কোনটি? IU-B (18-19)
সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩ (অপ্রোতুল)। শব্দের শুরুতে 'অ' না-বোধক উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হলে তা বিবৃত বা স্বাভাবিক থাকে। এরপর প-র-ফলা থাকায় এর উচ্চারণ সংবৃত বা ও-কারান্ত (প্রো) হয়। তাই সঠিক উচ্চারণ 'অপ্রোতুল'। Logical Elimination (যৌক্তিক বর্জন): অন্যদিকে, অপশন ১ (ওপ্রোতুল) ভুল কারণ এখানে প্রথম 'অ'-কে সংবৃত করে 'ও' বানানো হয়েছে যা না-বোধক উপসর্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অপশন ২ (অপ্রাতুল) ভুল কারণ এখানে প-র-ফলার সাথে অযাচিত আ-কার যুক্ত করা হয়েছে। সবশেষে অপশন ৪ (অপোপরতুল) ভুল কারণ এখানে যুক্তব্যঞ্জন ভেঙে সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন উচ্চারণ তৈরি করা হয়েছে।
39.
যথাক্রমে ক্ষ, ষ্ণ এবং হ্ন-এর বিশ্লিষ্ট রূপ- [NU: 03-04]
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'ক্ষ' গঠিত হয় 'ক্ + ষ' দিয়ে, 'ষ্ণ' গঠিত হয় 'ষ্ + ণ' দিয়ে এবং 'হ্ন' গঠিত হয় 'হ্ + ন' (দন্ত্য-ন) দিয়ে। সুতরাং অপশন ২ সঠিক। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার সুস্পষ্ট কারণ রয়েছে। অপশন ১-এ 'ক্ষ' কে 'ক+য' বলা হয়েছে যা ভুল। অপশন ৩-এ 'ক্ষ' কে 'ক+খ' বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অপশন ৪-এ প্রথম বর্ণটিকে 'খ+খ' এবং শেষেরটিকে 'হ+ণ' (মূর্ধন্য-ণ) লেখা হয়েছে, অথচ 'হ্ন' (যেমন- চিহ্ন) শব্দে দন্ত্য-ন থাকে, মূর্ধন্য-ণ নয়। তাই বাকি অপশনগুলো বাতিল করা হলো।
40.
ঙ্ক্ষ' এর বিশ্লিষ্ট রূপ- [NU: 12-13]
বাংলা বর্ণমালায় 'ঙ্ক্ষ' একটি জটিল যুক্তবর্ণ যা তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এর সঠিক বিশ্লিষ্ট রূপ হলো 'ঙ + ক্ + ষ'। তাই অপশন ২ সঠিক। অন্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার যৌক্তিক কারণ হলো: অপশন ১ (ক+ষ) কেবল 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি গঠন করে, এখানে 'ঙ' অনুপস্থিত। অপশন ৩ (ন+ক+ষ) এবং অপশন ৪ (ন+ক+খ) উভয় ক্ষেত্রেই 'ঙ' এর পরিবর্তে 'ন' ব্যবহৃত হয়েছে এবং শেষেরটিতে 'ষ' এর বদলে 'খ' রয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আকাঙ্ক্ষা বা এরকম শব্দে এই যুক্তবর্ণ ব্যবহৃত হয়।