Limited Access!
Sign in and purchase a course to unlock full access to all MCQs.
MCQ Categories
Subjects & Chapters
Chapters
অপরিচিতা
বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন
বিলাসী
গৃহ
আহ্বান
আমার পথ
মানব-কল্যাণ
মাসি-পিসি
রেইনকোট
মহাজাগতিক কিউরেটর
নেকলেস
বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ
সোনার তরী
বিদ্রোহী
প্রতিদান
সুচেতনা
তাহারই পড়ে মনে
পদ্মা
আঠারো বছর বয়স
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
নুরুলদীনের কথা মনে পড়ে যায়
ছবি
লালসালু
সিরাজউদ্দৌলা
Practice Questions
Total Questions: 50
41.
বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' রচনার শুরুতে লেখক কীসের জন্য লিখতে নিষেধ করেছেন? চবি ঘ ইউনিট (২০২৩-২৪)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর প্রবন্ধের শুরুতেই নবীন লেখকদের 'যশ' বা খ্যাতির আশায় সাহিত্য রচনা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন, কারণ যশাকাঙ্ক্ষায় লেখা সাহিত্য কখনোই উন্নতমানের হয় না। অন্যদিকে, তিনি অর্থের জন্য লেখাকেও নিরুৎসাহিত করেছেন, তবে তা ছিল দ্বিতীয় সতর্কবাণী, একেবারে শুরুর নয়। 'ধর্ম' বা 'সৌন্দর্য' সৃষ্টির উদ্দেশ্যে লেখাকে তিনি বরং সাহিত্যের প্রকৃত এবং মহৎ উদ্দেশ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, এগুলো নিষেধ করেননি। তাই কালানুক্রম ও পাঠ্য অনুযায়ী অন্য বিকল্পগুলো ভুল এবং 'যশ' হলো সঠিক উত্তর।
42.
বিবিধ প্রবন্ধ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কী ধরনের রচনা? বশেমুরবিপ্রবি ই ইউনিট (২০১৭-১৮)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিবিধ প্রবন্ধ' মূলত একটি প্রবন্ধ সংকলন গ্রন্থ। এর নামের মধ্যেই 'প্রবন্ধ' শব্দটি যুক্ত রয়েছে, যেখানে তিনি ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। অন্যদিকে, যদিও প্রবন্ধগুলো গদ্যরীতিরই অংশ, কিন্তু সাহিত্যের শ্রেণিবিচারে এটি সুনির্দিষ্টভাবে একটি 'প্রবন্ধ' গ্রন্থ, কেবল সাধারণ গদ্যগ্রন্থ বললে এর মূল পরিচয় অস্পষ্ট থেকে যায়। এটি উপন্যাস বা কাহিনিভিত্তিক রচনা নয়। এটি নাটকও নয়, কারণ এতে কোনো সংলাপ বা অঙ্কের বিভাজন নেই। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল।
43.
মানুষের মঙ্গল অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি ব্যতিরেকে যারা অন্য উদ্দেশ্যে লিখে থাকেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে তারা কাদের সঙ্গে তুলনীয়? JU C-2 (২০২৪-২৫)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
বঙ্কিমচন্দ্রের 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধ অনুযায়ী, মানুষের মঙ্গল বা সৌন্দর্য সৃষ্টি ছাড়া যারা কেবল নিম্নশ্রেণির মনোরঞ্জন বা অন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা করেন, লেখক তাদের 'যাত্রাওয়ালা' বা নিচু স্তরের বিনোদনকারীদের সাথে তুলনা করেছেন। অন্যদিকে, তিনি প্রবন্ধের কোথাও তাদের কবিওয়ালা, পুস্তক ব্যবসায়ী বা মুদ্রাকরের সাথে সরাসরি তুলনা করেননি। পাঠ্যের সুনির্দিষ্ট শব্দ এবং উপমার ভিত্তিতে অন্য তিনটি বিকল্প ভুল বলে প্রমাণিত হয়।
44.
যিনি সোজা কথায় আপনার মনের ভাব সহজে পাঠককে বুঝাইতে পারেন, তিনিই লেখক। শূন্যস্থানে কী বসবে? চবি B-1 উপ-ইউনিট (২০২৪-২৫)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ অনুযায়ী, যিনি সোজা কথায় নিজের মনের ভাব সহজে পাঠককে বোঝাতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। অলংকার বা আড়ম্বরের চেয়ে ভাবের স্পষ্টতাই একজন লেখককে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দেয়। অন্যদিকে, 'খ্যাতিমান' শব্দটি মূলত জনপ্রিয়তাকে নির্দেশ করে, যা সাহিত্যিক শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র মাপকাঠি নয়। 'গুণী' শব্দটি সাধারণ দক্ষতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও প্রাবন্ধিক এখানে সুনির্দিষ্টভাবে শ্রেষ্ঠত্ব বুঝিয়েছেন। 'আদর্শ' শব্দটি একটি অনুকরণীয় মানদণ্ড বোঝায়, তবে মূল পাঠ্যে 'শ্রেষ্ঠ' শব্দটিই ব্যবহৃত হয়েছে। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো পাঠ্য অনুযায়ী ভুল এবং বর্জনীয়।
45.
যুগন্ধর সাহিত্য স্রষ্টা' বলা হয় কাকে? বশেমুরবিপ্রবি গ ইউনিট (২০১৮-১৯)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত, উপন্যাসের সার্থক রূপায়ণ এবং নবজাগরণের চেতনাকে সাহিত্যে ধারণ করার জন্য বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে 'যুগন্ধর সাহিত্য স্রষ্টা' হিসেবে অভিহিত করা হয়। অন্যদিকে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হলেন গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক। প্রমথ চৌধুরী চলিত গদ্যরীতির জনক হিসেবে স্বীকৃত, যুগন্ধর সাহিত্য স্রষ্টা হিসেবে নয়। সৈয়দ মুজতবা আলী অনেক পরের যুগের একজন রম্য সাহিত্যিক। সাহিত্যের ঐতিহাসিক বিচার ও মূল্যায়নে এই উপাধিটি কেবল বঙ্কিমের জন্যই সংরক্ষিত, তাই অন্য বিকল্পগুলো বাতিলযোগ্য।
46.
রচনায় লেখকের বিদ্যাপ্রকাশের চেষ্টা পাঠকের জন্য কী হয়ে ওঠে? চবি B-2 উপ-ইউনিট (২০২৪-২৫)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধ অনুসারে, রচনায় লেখকের অহেতুক বিদ্যাপ্রকাশের চেষ্টা পাঠকের জন্য অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। সহজ ভাষায় মনের ভাব প্রকাশ করাই প্রকৃত লেখকের কাজ। বিদ্যা জাহির করার জন্য অপ্রয়োজনীয় উদ্ধৃতি ব্যবহার করলে রচনার মূল সৌন্দর্য নষ্ট হয়। অন্যদিকে, এ ধরনের আরোপিত বিদ্যাপ্রকাশ পাঠকের জন্য কখনোই 'সুখকর' বা আরামদায়ক হতে পারে না। এটি রচনার গতিকে বাধাগ্রস্ত করে বলে তা 'আকর্ষণীয়' বা 'উপকারী' হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভুল।
47.
রসাত্মক ও ব্যঙ্গধর্মী রচনার সংকলন কোনটি? জাবি ক ইউনিট (২০১৮-১৯)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 3
কমলাকান্তের দপ্তর' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রসাত্মক, ব্যঙ্গধর্মী এবং সমাজ-সচেতনতামূলক প্রবন্ধ বা নকশা জাতীয় গ্রন্থ, যেখানে আফিমখোর কমলাকান্তের বয়ানে সমাজের ত্রুটি বিদ্রূপ করা হয়েছে। অন্যদিকে, 'কপালকুণ্ডলা' হলো একটি রোমান্টিক ধারার উপন্যাস। 'বিষবৃক্ষ' সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা কেন্দ্রিক একটি উপন্যাস। 'চন্দ্রশেখর' একটি রোমান্টিক ও ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস। যেহেতু বাকি তিনটি গ্রন্থ উপন্যাস শ্রেণির এবং সেগুলোর মূল সুর হাস্যরস বা ব্যঙ্গ নয়, তাই যৌক্তিকভাবে সেগুলো ভুল বিকল্প।
48.
লোকরহস্য' বইটির লেখক কে? জাককানইবি ক ইউনিট (২০১৫-১৬)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 2
লোকরহস্য' বইটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজ-সচেতনতামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ। এই গ্রন্থে তিনি সমকালীন সমাজের বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ করেছেন। অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলি, যোগাযোগসহ অসংখ্য কালজয়ী রচনার স্রষ্টা হলেও এই বইটি তাঁর নয়। দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন দার্শনিক ও কবি, তাঁর রচনা শৈলী ভিন্ন। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ছন্দের জাদুকর বলা হয়, তাঁর গ্রন্থ তালিকায় 'লোকরহস্য' নেই। তাই অন্য লেখকদের নামের বিকল্পগুলো গ্রন্থপঞ্জির তথ্যের আলোকে ভুল।
49.
সাম্য' গদ্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে? বশেমুরবিপ্রবি F ইউনিট (২০১৭-১৮) JUST D (২০১৯-২০)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 1
সাম্য' হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সমাজচিন্তা ও অর্থনীতিমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে তিনি সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার পরিচয় দিয়েছেন। তাই এটি তাঁরই রচনা। অন্যদিকে, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকৃতি ও মানবজীবনের ঔপন্যাসিক (যেমন: পথের পাঁচালী)। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় আঞ্চলিক ও মৃত্তিকাসংলগ্ন উপন্যাস রচনায় বিখ্যাত। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় মার্ক্সবাদী চিন্তাধারার কথাশিল্পী হলেও 'সাম্য' নামের এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর নয়। গ্রন্থপঞ্জির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অন্য তিনজন লেখকের নাম এখানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
50.
হাস কেন?' উক্তিটি কার? চবি B ইউনিট (২০২৪-২৫)
Correct Answer! Great job.
Incorrect Answer
Correct Answer Option: Option 4
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের জবানবন্দি' (যা 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থের অংশ) নামক ব্যঙ্গ-প্রবন্ধে এই বিখ্যাত উক্তিটি চাপরাশির। আদালতে কমলাকান্তের অদ্ভুত ও হাস্যকর জবানবন্দি চলাকালে আদালতের শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এই কথাটি বলা হয়। অন্যদিকে, কমলাকান্ত নিজেই এই ঘটনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ও হাসির উদ্রেককারী, তাই এটি তার উক্তি নয়। হাকিম বিচারকার্য পরিচালনা করেন এবং উকিল জেরায় ব্যস্ত থাকেন, মূল পাঠ্যে তাদের মুখে এই নির্দিষ্ট সংলাপটি নেই। তাই পাঠ্যভিত্তিক প্রমাণ সাপেক্ষে অন্যান্য চরিত্র বা বিকল্পগুলো সম্পূর্ণভাবে ভুল।